শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
লঙ্কানদের দুর্দান্ত জয় করোনায় মুখে খাওয়া ওষুধের অনুমোদন দিল যুক্তরাজ্য অনিয়ম হলে ভোট বন্ধ, প্রার্থিতা বাতিল: সিইসি বাংলাদেশে ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে সরকার ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১৫৭ জন হাসপাতালে ভর্তি ২০২২ সালে সাধারণ রোগে পরিণত হবে করোনা করোনায় আরো ৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৪৭ লজ্জার হারে বিশ্বকাপ শেষ করলো বাংলাদেশ ফের ‘প্লেয়ার অব দ্য মান্থ’ পুরস্কারে মনোনীত সাকিব দুর্দান্ত পাকিস্তান, তবুও তাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়ে শঙ্কা জবাবদিহিতা নেই বলেই তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার: ফখরুল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শাস্তি বন্ধে হাইকোর্টের পরামর্শ ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম বেড়ে ১৩১৩ টাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নৌবাহিনীকে আরও দক্ষ হতে হবে : রাষ্ট্রপতি তারেক রহমানের দেশে আসার সৎ সাহস নেই : সেতুমন্ত্রী এক হাজারেরও বেশি পারমাণবিক বোমা বানাবে চীন: পেন্টাগন দেশে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৩২৭ ডলার রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেল ১৯ প্রতিষ্ঠান জ্বালানি তেলের দাম না কমালে সারাদেশে পণ্য পরিবহন বন্ধ ঘোষণা

আপিল নিষ্পত্তির আগেই দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর

আপিল নিষ্পত্তির আগেই দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর

আপিল নিষ্পত্তির আগেই হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। অথচ সেই মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানি আজ বুধবার (৩ নভেম্বর) আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ১১ নম্বরে ছিল।

অথচ চিরাচরিত সেই বিধি-বিধানের বাইরে গিয়ে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আপিল নিষ্পত্তির আগেই চুয়াডাঙ্গার মোকিম ও ঝড়ু নামে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

আসামির আইনজীবী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমতির প্রয়োজন হয়। আর হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন হলে, কোনো পক্ষ যদি আপিল করে সেক্ষেত্রে দন্ড কার্যকরে তা নিষ্পত্তি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় কারা কর্তৃপক্ষকে।

কিন্তু এ আপিল নিষ্পত্তির আগেই চুয়াডাঙ্গার মোকিম ও ঝড়ু নামে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। ১৯৯৪ সালে চুয়াডাঙ্গার এক ইউপি মেম্বার খুনের জেরে বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দেয় দুই আসামিকে।

মামলার তথ্য অনুসারে, আসামি মোকিম ও ঝড়ুর বাড়ি চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায়। ১৯৯৪ সালের ২৮ জুন একই এলাকার সাবেক ইউপি মেম্বার মো. মনোয়ার হোসেন খুন হন। ওই ঘটনায় তার চাচাতো ভাই মো. অহিমউদ্দিন বাদী হয়ে ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার এজাহারে মোকিম ও ঝড়ুর নাম আসে।

পরে ২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল এ মামলার বিচারে তিন জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ, দুই জনকে যাবজ্জীবন ও অপর আসামিদের খালাস দেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন—একই ইউনিয়নের তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, মোকিম ও ঝড়ু।

বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে অনুমতি প্রয়োজন হয় হাইকোর্টের। হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন হওয়ার পর তা কার্যকরে আরও কিছু প্রক্রিয়া মেনে চলতে হয়। তবে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে মামলার কোনও পক্ষ যদি আপিল দায়ের করে সে ক্ষেত্রে তা নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষা করতে হয় কারা কর্তৃপক্ষকে।

বিচারিক আদালতের রায়ের পর নিয়ম অনুসারে আসামিদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য মামলাটি হাইকোর্টে আসে। মামলার ডেথ রেফারেন্স নম্বর ছিল ৩৯/২০০৮। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট মোকিম ও ঝড়ুর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে ২০১৩ সালের ৭ জুলাই ও ৮ জুলাই মামলার রায় ঘোষণা করেন। বাকি আসামিদের খালাস দেন।

পরে মোকিম (আপিল নং- ১১১/২০১৩) ও ঝড়ু (আপিল নং- ১০৭//২০১৩) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করেন। তখন মোকিমের পক্ষে আপিল মামলাটি তদারকির দায়িত্ব পান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির। এরপর কেটে গেছে আটটি বছর। দীর্ঘ সময় পর সম্প্রতি মামলাটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় উঠেছে।

অথচ চিরাচরিত সেই বিধি-বিধানের বাইরে গিয়ে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আপিল নিষ্পত্তির আগেই চুয়াডাঙ্গার মোকিম ও ঝড়ু নামে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১,৫৭৫,৫৭৯
সুস্থ
১,৫৪০,০১৮
মৃত্যু
২৭,৯৭৫
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
২৬০,২৮১,৮৪৭
সুস্থ
মৃত্যু
৫,১৮৫,৭০২
%d bloggers like this: