বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন

কটূক্তি করায় ট্যাক্সিচালককে পুলিশে দিলেন মিমি

কটূক্তি করায় ট্যাক্সিচালককে পুলিশে দিলেন মিমি

বাস্তব জীবনে প্রতিবাদী ভূমিকায় টলিউডের অন্যতম অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। সোমবার রাতে এক ট্যাক্সিচালককে পুলিশের হাতে দিলেন তিনি। ট্যাক্সি থেকে কটূক্তি এবং অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করায় গাড়ি থেকে নেমে প্রতিবাদ জানালেন সংসদ সসদ্য ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

ঘটনার সূত্রপাত মিমি জিম থেকে বাড়ি ফেরার সময়। ওইদিন গভীর রাতে বালিগঞ্জ এবং গড়িয়াহাটের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রাফিক সিগনালে যখন মিমির গাড়ি দাঁড়িয়েছিল, তখন একটি ট্যাক্সি তার গাড়িকে ওভারটেক করে। মিমি কাচ নামিয়েছিলেন। তখনই তিনি লক্ষ্য করেন, পাশে দাঁড়ানো ট্যাক্সিটির চালক তার দিকে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করছেন। সটান গাড়ি থেকে নামেন মিমি। ট্যাক্সিচালককেও টেনে নামান। ধমকে বলেন, তাকে পুলিশে দেওয়া হবে। ততক্ষণে রাস্তায় লোক জমে যায়।

এরপর মিমি যোগাযোগ করেন পুলিশের সঙ্গে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে এসে অভিযুক্ত চালকের খোঁজ শুরু করেন। রাতেই তাকে গ্রেফতারও করা হয়। ঘটনাচক্রে, ওইদিন মিমির দেহরক্ষী তার সঙ্গে ছিলেন না।

মিমি বলেন, ‘সরকারি গাড়ি দেখেও যদি এক ট্যাক্সিচালক তার আরোহীকে উদ্দেশ্য করে প্রকাশ্যে এমন অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও মন্তব্য করতে পারে, তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হতে পারে!’

মিমি জানান, সে কারণেই তিনি কালক্ষেপণ না করে গাড়ি থেকে নেমে প্রতিবাদ করেন এবং পুলিশের কাছে অভিযোগ দেন।
পুলিশের বক্তব্য, ওই সার্জেন্ট আধ ঘণ্টার মধ্যে ট্যাক্সিসহ চালককে আটক করেন। ওই চালকের নাম দেবা যাদব। বয়স ৩২ বছর। তাকে গ্রেফতার করা হয় বাইপাসের ধারে আনন্দপুর থানা এলাকা থেকে। তার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, অশ্লীল ইঙ্গিত এবং কটূক্তির ধারায় গড়িয়াহাট থানায় একটি মামলা হয়েছে।

আগেও মিমি এমন প্রতিবাদী ভূমিকায় নেমেছেন। বছর চারেক আগে এক পথচারীকে একটি বাইক ধাক্কা মেরে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে দেখে মিমি গাড়ি থামিয়ে রুখে দাঁড়ান। বাইক আরোহীকে থামিয়ে তাকে রাস্তাতেই নামিয়ে দু-চার ঘা দিয়ে পুলিশ ডাকেন। পরে দেখা যায়, ওই বাইকচালক মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৩৫৩,৮৪৪
সুস্থ
২৬২,৯৫৩
মৃত্যু
৫,০৪৪
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩১,৫১১,৭৪৯
সুস্থ
২১,৬২০,৭২৪
মৃত্যু
৯৬৯,৪৭৮