শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফকির আলমগীর বেঁচে থাকবেন তার গানে : তথ্যমন্ত্রী ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর আর নেই ইমরান খানকে হাড়িভাঙা আম পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের লজ্জার হার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার অব্যাহত থাকবে : এডিবি লকডাউনের প্রথম দিনে গ্রেফতার ৪০৩, জরিমানা পৌনে ১২ লাখ বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ‘অলিম্পিক লরেল’ পেলেন ড. ইউনূস টোকিও অলিম্পিক-এর ঝলমলে উদ্বোধন ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৮৫ জন ইকুয়েডরের দু’টি কারাগারে দাঙ্গা, নিহত ২২ দেশে করোনায় মৃত্যু ১৬৬, শনাক্ত ৬৩৬৪ ঢাকায় পৌঁছাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে মানুষ তিতাস-এর গ্যাস লিকেজ থেকেই মগবাজারে বিস্ফোরণ: পুলিশ বিদায়ী তাওয়াফের মাধ্যমে শেষ হলো হজ বাগেরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইকের ছয় যাত্রী নিহত প্রথমবারেই অলিম্পিকে দিয়ার ব্যক্তিগত রেকর্ড দ.আফ্রিকায় সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩৭ জনে যেভাবে পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দিলো ফেরি (ভিডিও) নিত্যপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে সময় কমেছে ২ ঘণ্টা

কানাডার আদিবাসী স্কুলে মিললো সাত শতাধিক শিশুর কবর

কানাডার আদিবাসী স্কুলে মিললো সাত শতাধিক শিশুর কবর

কানাডার পুরনো আদিবাসী আবাসিক স্কুলে আবারও শিশুদের কবরের খোঁজ মিলেছে। দেশটির সাসকাচুয়ান প্রদেশে কোনও চিহ্ন না থাকা এসব কবরের খোঁজ পেয়েছে একটি আদিবাসী গ্রুপ।

বুধবার (২৩ জুন) কাওয়েসসেস ফার্স্ট নেশন এই খবর জানায়। বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) আল জাজিরা জানায়, কাওয়েসসেস ফার্স্ট নেশন-এর প্রধান বলেছেন, স্কুলের মাঠে রাডার ৭৫১টি স্থান শনাক্ত করলেও তারা ৬০০টি কবর খুঁজে পেয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, এটি কোনো গণকবর নয়, তবে এগুলো অচিহ্নিত কবর।

গত মাসে কানাডার একটি পুরনো আবাসিক স্কুলের ভবন থেকে ২১৫ শিশুর দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য ব্রিটিশ কলম্বিয়ার কামলুপস এলাকায় এসব দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। এই শিশুরা আদিবাসী রেড ইন্ডিয়ান বলে জানা যায়। ওই স্কুলটি ১৯৭৮ সালে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিলো।

১৯ ও ২০তম শতাব্দীতে আদিবাসী শিশুদের সভ্য করে তোলার নামে পরিচালিত হতো ১৩০টিরও বেশি আবাসিক স্কুল। কানাডার সরকার ও ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ এসব স্কুল পরিচালনা করতো। এসব স্কুলে শিশুদের ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ছিলো। ১৮৬৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত দেড় লক্ষাধিক আদিবাসী শিশুকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে এসব আবাসিক স্কুলে পাঠানো হয়। এসব শিশুদের নিজেদের ভাষা, সংস্কৃতি চর্চার অনুমতি ছিলো না। অনেক শিশুই নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়।

ধারণা করা হয়ে থাকে এসব স্কুলে থাকার সময়ে প্রায় ছয় হাজার শিশুর মৃত্যু হয়। এর বড় কারণ আবাসিক স্কুলগুলোর অব্যবস্থাপনা। স্কুল কর্তৃপক্ষের শারিরীক এবং যৌন নিপীড়নের কথাও জানা যায়। যার কারণে অনেক শিক্ষার্থী পালিয়েও যায়।

এসব স্কুলের এক পুরনো শিক্ষার্থী ফ্লোরেন্স স্পারভিয়ার বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘তারা বিশ্বাস করিয়ে ছাড়তো আমাদের আত্মা বলে কিছু নেই। তারা আমাদের মানুষের চেয়ে খাটো করে দেখাতো, ফলে আমরা শিখেছিলাম আমরা যেমন আছি সেটা মানুষের জীবন নয়।’

এসব স্কুলের প্রভাব খতিয়ে দেখতে ২০০৮ সালে গঠন করা একটি কমিশনের প্রতিবেদনে জানা যায়, আবাসিক স্কুলে যাওয়া লাখ লাখ শিশু আর কখনোই নিজ বাড়িতে ফেরেনি। ওই প্রতিবেদনের পর এই ব্যবস্থার জন্য আনুষ্ঠানিক দুঃখ প্রকাশ করে কানাডা।

গত মাসে ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় আদিবাসী শিশুদের দেহাবশেষ পাওয়ার পর সাসকাচুয়ান প্রদেশের পুরনো এসব স্কুলের কবর শনাক্তের উদ্যোগ নেয় কাওয়েসসেস ফার্স্ট নেশন। গ্রুপটি এই কবরের সন্ধান পাওয়াকে ভয়াবহ এবং হৃদয়বিদারক আখ্যা দিয়েছে।

অ্যাসেম্বলি অব ফার্স্ট নেশনের ন্যাশনাল চিফ পেরি বেলেগ্রেড এক টুইট বার্তায় বলেন, এসব কবরের সন্ধান পাওয়া কষ্টদায়ক কিন্তু বিস্ময়কর নয়। এই চরম কঠিন ও আবেগী মুহূর্তে ফার্স্ট নেশনের পাশে থাকতে কানাডিয়ার নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১,১৪৬,৫৬৪
সুস্থ
৯৭৮,৬১৬
মৃত্যু
১৮,৮৫১
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৯২,৩১১,৩৭৫
সুস্থ
১২৬,৬৩৭,১৪১
মৃত্যু
৪,১৩৩,১৮২
%d bloggers like this: