সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে আরও ২৪১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি দেশে করোনায় শনাক্ত নামল ছয় শতাংশের নিচে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুদকের প্রতি আহ্বান শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে হারালো আফগানিস্তান ‘স্কুল-কলেজে সংক্রমণের আশংকা নেই’ বিদেশেও দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে বিএনপি- কাদের ফিনল্যান্ড থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী যে দেশে বেকারত্বের রেকর্ড সর্বনিম্ন ফখরুলসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২১ নভেম্বর নির্দিষ্ট গোষ্ঠী আমাদের হুমকি দিয়েছিল: ডেভিড হোয়াইট তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের প্রাণ : তথ্যমন্ত্রী সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায় : মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ চাইলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ রাসেল দম্পতির বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার আশায় মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রুডো বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৪৭ লাখ ছাড়ালো অতিরিক্ত কাজে বছরে প্রায় ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়: গবেষণা জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন শাফিন আহমেদ সৌদি প্রবেশে বাংলাদেশের ১৩৭ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা দাবি প্রথমবার মহাকাশ ঘুরে এলেন চার সাধারণ নভোচারী

ঢাকায় পৌঁছাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে মানুষ

ঢাকায় পৌঁছাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে মানুষ

ঈদুল আযহার ছুটির আমেজ এখনও শেষ হয়নি। তবে লকডাউনের ঘোষণায় রাজধানী ঢাকায় ফেরার হিড়িক লেগেছে কর্মজীবী মানুষদের। গ্রাম থেকে সঠিক সময় হিসেব করে রওয়ানা দিলেও সড়ক মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটে বিপাকে পড়েছেন অধিকাংশ যাত্রী। রাতে কিংবা বিকেলে রওয়ানা দিয়েও লকডাউন কার্যকরের আগে ঢাকায় পৌঁছাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মানুষ।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাজধানীতে ফেরা মানুষের ভোগান্তির চিত্র ছিলো চোখে পড়ার মতো। গাবতলী থেকে যাত্রাবাড়ি, উত্তরা থেকে সদরঘাট সবর্ত্রই ছিলো পায়ে হেঁটে গন্তব্যে ফেরার দৃশ্য। নারী, শিশু কিংবা বৃদ্ধ- কেউ রেহাই পাননি এমন ভোগান্তি থেকে। কেউ কেউ উপহাস করেই বলছেন, ‘গন্তব্য যখন ঢাকা, পা-ই একমাত্র ভরসা।’

নীলফামারী থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন আবু বক্কর ছিদ্দিক। তিনি বলেন, কাল দুপুরে রওয়ানা দিয়েছিলাম। কিন্তু রাস্তায় জ্যামের কারণে গাড়ি ঢাকার কাছাকাছি সাভারে আসতেই সকাল সাতটা বেজে গেলো। আমিনবাজার এলাকায় গাড়ি থামিয়ে দিয়েছে পুলিশ। তাই পায়ে হেঁটেই মগবাজারের মধুবাগে যাচ্ছি।

কী কারণে এতো তাড়াতাড়ি আসতে হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটা বায়িং হাউজে চাকরি করি। কিন্তু অফিস থেকে ঈদের ছুটির বাইরে কোনো ছুটি দেয়নি। চাকরি তো বাঁচাতে হবে। এজন্য এক প্রকার লড়াই করে আসতে হলো ঢাকায়।

অপর একজন যাত্রী আব্দুল কাইয়ুম দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন ঢাকায়। তিনিও পড়েছেন একই সমস্যায়। তিনি যে পরিবহনে করে ঢাকায় ফিরছিলেন সেটিও ঢাকায় পৌঁছানোর আগেই লকডাউন কার্যকর হয়ে গেছে। তাই আমিনবাজার এলাকায় গাড়ি থামিয়ে যাত্রী নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, হিসেবে আরও দুদিন ছুটিতে আছি। কিন্তু যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি, সেখানে রবিবার থেকে জয়েন না করলে চাকরি চলে যাবে। তাই চাকরি বাঁচাতেই সব বাধা মাথায় নিয়ে ঢাকায় ফিরছি। তাও যদি শান্তিমতো ফিরতে পারতাম তাও হতো। পুরো রাস্তায় জ্যাম ছিলো। এখন আবার পায়ে হেঁটে যাচ্ছি বাসায়।

একই অবস্থা সদরঘাট এলাকায়। এখানেও লঞ্চ থেকে নামার পর নেই কোনো গণপরিবহন। দু’য়েকটা রিকশা পাওয়া গেলেও ভাড়া চাওয়া হচ্ছে দু-তিনগুণ।

সদরঘাট থেকে গাজীপুর যাবেন রিপন মিয়া। পরিবহন না পেয়ে পায়ে হেঁটেই রওয়ানা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভোলা থেকে কালকে সন্ধ্যায় লঞ্চে উঠেছি। আজকে সাতটায় সদরঘাটে নেমেছি। কিন্তু কোনো গাড়ি পাচ্ছি না। যাবো গাজীপুরের গাছা এলাকায়। গার্মেন্টেস তিন দিনের বন্ধ দিয়েছিলো। এজন্য চলে এসেছি। শুনছি গার্মেন্টেসও চালু থাকবে না লকডাউনে। কিন্তু আমাদেরকে তো ছুটি দিলো না। ছুটি না দিলে তো অফিসে যেতেই হবে।

শুধু চাকরি বাঁচানোর জন্য নয়, কেউ কেউ অতি প্রয়োজনে, বিশেষ করে চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে কষ্ট করে হলেও ঢাকায় এসেছেন।

সরকারি চাকুরিজীবী মো. সাজেদ বলেন, বাবা অসুস্থ। তিনি শ্যামলীর এটি হাসপাতালে ভর্তি। গতকাল খুলনা থেকে প্রাইভেটকারে করে উনাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। এখন হাসপাতালে ভর্তি। তাই বাবার চিকিৎসার স্বার্থেই নানা উপায়ে রংপুর থেকে ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছেছি। আমিনবাজারে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ায় এখন পায়ে হেঁটে যাচ্ছি।

গাবতলী এলাকার ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. ফয়সাল বলেন, যাত্রীরা আমাদেরকে জানিয়েছেন ফেরিতে দেরি হওয়ায় পথে দেরি হয়েছে। লকডাউন শুরুর আগে ঢাকায় পৌঁছাতে না পেরে আমিনবাজার এলাকায় গাড়িগুলো যাত্রী নামিয়ে দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১,৫৪২,৬৮৩
সুস্থ
১,৫০১,৫৪১
মৃত্যু
২৭,২২৫
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
২২৭,৮৬৫,৮৭৪
সুস্থ
মৃত্যু
৪,৬৮২,৯০৮
%d bloggers like this: