শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
লঙ্কানদের দুর্দান্ত জয় করোনায় মুখে খাওয়া ওষুধের অনুমোদন দিল যুক্তরাজ্য অনিয়ম হলে ভোট বন্ধ, প্রার্থিতা বাতিল: সিইসি বাংলাদেশে ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে সরকার ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১৫৭ জন হাসপাতালে ভর্তি ২০২২ সালে সাধারণ রোগে পরিণত হবে করোনা করোনায় আরো ৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৪৭ লজ্জার হারে বিশ্বকাপ শেষ করলো বাংলাদেশ ফের ‘প্লেয়ার অব দ্য মান্থ’ পুরস্কারে মনোনীত সাকিব দুর্দান্ত পাকিস্তান, তবুও তাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়ে শঙ্কা জবাবদিহিতা নেই বলেই তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার: ফখরুল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শাস্তি বন্ধে হাইকোর্টের পরামর্শ ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম বেড়ে ১৩১৩ টাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নৌবাহিনীকে আরও দক্ষ হতে হবে : রাষ্ট্রপতি তারেক রহমানের দেশে আসার সৎ সাহস নেই : সেতুমন্ত্রী এক হাজারেরও বেশি পারমাণবিক বোমা বানাবে চীন: পেন্টাগন দেশে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৩২৭ ডলার রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেল ১৯ প্রতিষ্ঠান জ্বালানি তেলের দাম না কমালে সারাদেশে পণ্য পরিবহন বন্ধ ঘোষণা

নিউইয়র্কের ২০ শতাংশ বাংলাদেশিই গরিবের চেয়েও গরিব

নিউইয়র্কের ২০ শতাংশ বাংলাদেশিই গরিবের চেয়েও গরিব

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক রাজধানী নিউইয়র্ক মেট্রো এলাকায় ২০ ভাগ বাংলাদেশিই দারিদ্র্য সীমার নীচে বাস করছেন। এশিয়ান আমেরিকান ফেডারেশনের ২০১৯ সালের সর্বশেষ জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর ভয়েস অব আমেরিকা’র।

জরিপে উল্লেখ করা তথ্যের ব্যাপারে ফেডারেশনের কর্মকর্তা মীরা ভ্যানুগোপাল গত রোববার জানান, নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, ফিলাডেলফিয়া, কানেকটিকাট অঞ্চলে বসবাসরত এশিয়ান-আমেরিকানদের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় রয়েছেন বাংলাদেশিরা।

এর আগে ২০১০ সালের জরিপের তুলনায় বাংলাদেশিদের সংখ্যা এখন হাডসন ভ্যালিতে ১৯২%, নিউইয়র্ক সিটিতে ১১২%, নিউজার্সি ও ফিলাডেলফিয়ায় ১৭৬% বাড়লেও দারিদ্র মুক্তির ক্ষেত্রে তেমন হেরফের ঘটেনি।

জরিপের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ান আমেরিকানদের মধ্যে ১০ বছরের ব্যবধানে চরম দারিদ্র্যের সংখ্যা ১৫% বেড়েছে। ২০১০ সালে ছিল ২ লাখ ৫২ হাজার, ২০১৯ সালে তা ২ লাখ ৯০ হাজার হয়েছে। নিউইয়র্ক মেট্রো এলাকায় দারিদ্র্য সীমার নীচে বসবাসকারি এশিয়ানের হার ১০.৪%। ২০১০ সালে তা ছিল ৯.২%।

জরিপের তথ্যে আরও বলা হয়েছে, এশিয়ানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাড়ছে বাংলাদেশির সংখ্যা। তারা কঠোর শ্রম দিচ্ছেন, কিন্তু স্বপ্ন পূরণের পথে ধাবিত হতে সক্ষম হচ্ছেন না।

সিটি, স্টেট এবং ফেডারেল প্রশাসনে বিদ্যমান অনেক সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে পরিচিত না থাকায় ন্যায্য পারিশ্রমিক দূরের কথা ব্যবসায়িক সুবিধাও হারাচ্ছেন তারা। মূলধারার রাজনীতিতে তারা জোরালো ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে সক্ষম হননি এখনও। ভোটের মাঠেও পিছিয়ে আছেন বাংলাদেশিরা।

নিউইয়র্কে চার সদস্যের একটি পরিবারের বার্ষিক আয় যদি ২৬ হাজার ডলারের কম হয়, তাহলেই তাদেরকে চরম দারিদ্রের সঙ্গে বসবাসরকারি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সবকিছুর মুল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কারোরই আয়-রোজগার বাড়েনি। এ অবস্থায় বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বাফেলো, শিকাগো, আপার ডারবি, হিউস্টন, ডালাসে চলে যাচ্ছে।

অন্যদিকে স্বদেশী আমেজ ও সংস্কৃতিতে দিনাতিপাত করতে অভ্যস্ত হওয়ায় অর্থ সংকটকে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন সবাই। জরিপ অনুযায়ী- বাংলাদেশি, চায়নিজ, পাকিস্তানী এবং নেপালি মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশই গরিবের চেয়েও গরিবানা হালে দিনাতিপাত করছেন সেখানে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১,৫৭৫,৫৭৯
সুস্থ
১,৫৪০,০১৮
মৃত্যু
২৭,৯৭৫
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
২৬০,২৮১,৮৪৭
সুস্থ
মৃত্যু
৫,১৮৫,৭০২
%d bloggers like this: