শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ১০:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রথম জয় তুললো মুস্তাফিজদের রাজস্থান রয়্যালস সিটি স্ক্যান শেষে বাসায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া বাবা-মায়ের কবরের পাশে সমাহিত হলেন মতিন খসরু করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৯ লক্ষাধিক মানুষ শনিবার থেকে পাঁচ দেশে চালু হচ্ছে বিশেষ ফ্লাইট ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সব সূচক ছিল উর্ধমুখী লকডাউনেও ন্যায্যমূল্যে চাল ও আটা বিক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে লকডাউনে মোংলা বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক কঠোর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বেড়েছে জনসমাগম ও যান চলাচল আইজিপির দায়িত্ব পালনের এক বছর পূর্তি আঘাত হানতে পারে কালবৈশাখী ঝড় দেশে করোনায় মৃত্যু ১০ হাজার ছাড়িয়েছে করোনায় ৫৪% গৃহকর্মী ও ১৯% নারী পোশাক শ্রমিক কাজ হারিয়েছে: সিপিডি ফ্রী অক্সিজেন সিলিন্ডার সাপোর্ট দিবে পুলিশ করোনার হানা দেশের গ্ল্যামার জগতে; দীর্ঘ হচ্ছে তালিকা বিএনপি জনগণ ও পুলিশকে প্রতিপক্ষ বানিয়েছে: ওবায়দুল কাদের ‘লকডাউনের নামে আওয়ামী লীগ ক্র্যাকডাউনে নেমেছে’ পবিত্র মসজিদ আল আকসায় আজান বন্ধ করায় জর্ডানের নিন্দা ব্রাজিলের করোনা ধরনটি আরও বিপজ্জনক হতে পারে: গবেষণা ধর্মীয় উপাসনালয়সহ ঘরবাড়ি লুটপাট করছে মিয়ানমার সেনারা

নিত্যপণ্যের বাজারে রোজার উত্তাপ

নিত্যপণ্যের বাজারে রোজার উত্তাপ

রমজান আসন্ন। এরই মধ্যে বেড়ে গেছে রমজান মাসে বেশি ব্যবহার করা হয় এমন পণ্যের দাম। খেজুর, লেবু, ফল, ছোলা, ডাল, মসলা, আটা, তেল, পেঁয়াজ, চিনির দাম বেড়েছে। নিরুপায় হয়ে বাড়তি দামেই পণ্য কিনছেন ক্রেতারা। বাজার তদারকিতে ২০০৯ সাল থেকে কাজ করছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানটি চলছে মাত্র ১৯৮ জন জনবল নিয়ে। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষে বিভিন্ন সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সরাসরি বাজার তদারকি করা হয়। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে বাজার তদারকির কমিটি থকলেও তার কার্যক্রম তেমনটা দৃশ্যমান নয়। ফলে দেশে কার্যকর বাজার তদারকির দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন বিভিন্ন সময়।
দেশে ক্রেতার স্বার্থ সংরক্ষণে সক্রিয় হতে গোনা কয়েকটি সংগঠনের অন্যতম ‘কনজ্যুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব’। প্রতিষ্ঠানটির কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, দেশে কার্যকর বাজার তদারকি ব্যবস্থা তৈরি করতে হলে পৃথক মন্ত্রণালয় বা বিভাগ গড়ার পাশাপাশি তদারকি কার্যক্রমে অংশ নেয়া সকল পক্ষের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে।
বাজারের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে টিসিবিকে শক্তিশালী করার প্রয়োজন থাকলেও বাস্তবে তেমনটা দেখা যায়নি বলেও মনে করে ক্যাব।
এদিকে পবিত্র রমজান শুরু হওয়ার আগে সয়াবিন তেলের দাম আরেক দফা বাড়ালো সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। গত বৃহস্পতিবার থেকে সংস্থাটি প্রতি লিটার তেলের দাম ১০ টাকা বাড়িয়ে ১০০ টাকায় বিক্রি করবে। বুধবার (৩১ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়েছে টিসিবি। গত জানুয়ারির পর এনিয়ে দুই দফায় সয়াবিন তেলের দাম লিটারে মোট ২০ টাকা বাড়লো টিসিবি।
শুধু সয়াবিন তেল নয়, চিনির দামও কেজিতে ৫ টাকা করে বাড়িয়েছে টিসিবি। এখন থেকে সংস্থাটি প্রতি কেজি চিনি ও মসুর ডাল ৫৫ টাকা দরে বিক্রি করবে। আর পেঁয়াজ বিক্রি হবে ২০ টাকা দরে।
টিসিবির পণ্যের তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে ছোলা ও খেজুর। প্রতি কেজি ছোলা ৫৫ টাকা এবং খেজুর ৮০ টাকা দরে বিক্রি করবে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে টিসিবি জানিয়েছে, রমজান মাসে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে সারা দেশে তাদের বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।
টিসিবির মুখপাত্র মো. হুমায়ূন কবির সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বাজারে পণ্যের দাম বেশি থাকায় টিসিবি মূল্য সমন্বয় করেছে। নইলে টিসিবির পণ্য নিয়ে অসাধু কাজ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
টিসিবি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে ক্রেতারা একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৪ কেজি চিনি, ৩ কেজি ছোলা, ২ কেজি মসুর ডাল ও ৫ লিটার তেল কিনতে পারবেন। টিসিবির অনলাইন কার্যক্রমে শুধু পেঁয়াজ কেনা যাবে।
সারা দেশে ৫০০ ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে ১০০টি ঢাকায় ও ২০টি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় থাকবে। এ ছাড়া দেশের সব জেলা ও উপজেলা সদরে পরিবেশকদের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হবে।
বেড়েছে খেজুরের দাম
এরই মধ্যে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সব ধরণের নিত্য পণ্যের সঙ্গে খেজুরের দাম। রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও বায়তুল মোকাররম ফলের বাজার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাকা মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৫০০-১০০০ টাকায়। আজওয়া খেজুর মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়, ম্যার্জুয়েল মরিয়ম বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকায়, আম্বার ৬০০-৬৫০ টাকায়, সুক্কারি খেজুর ৫৫০-৬০০ টাকায়, সুগাই ৫০০-৫০০ টাকায়, সুফরি ৪৫০-৫০০ টাকায়, তিউনিসিয়ান খেজুর-৩০০-৪০০ টাকায়, কালকি খেজুর ৫০০-৫৫০ টাকায়, দুবাইয়ের দাবাস ৩০০-৩৫০ টাকায়, মুনতাজ ৩০০-৩৫০ টাকায়, বড়ই খেজুর ২২০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে শুধুমাত্র জিহাদি খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৮০ টাকা।
খুচরা ও পাইকারি খেজুর ব্যবসায়ীদের দাবি বর্তমানে বাজারে ন্যায্যমূল্যে খেজুর বিক্রি হচ্ছে। তবে স্বাভাবিকভাবেই রমজানে খেজুরের বেচাকেনা বাড়ে। কেনাকাটা বাড়লে খেজুরের দাম আরো কিছুটা বাড়বে বলেও জানান তারা।
কারওয়ান বাজারের খুচরা ফল বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এখন বাজারে চাহিদার তুলনায় খেজুরের সরবরাহ কম। তাই দামে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে বলেও বিক্রেতারা জানান।
তবে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে পর্যাপ্ত খেজুরের সরবরাহ আছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার জন্য খেজুর মজুদও রাখছে। যার প্রভাব খুচরা বাজারে পড়ছে।
বাড়লো ভোজ্যতেলের দাম
নতুন করে ভোজ্যতেলের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এখন লুজ সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ দাম ১১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে যা আগে ১১৫ টাকা ছিল এবং বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি সর্বোচ্চ দাম ১৩৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে যা আগে ছিল ১৩৫ টাকা।
জানা গেছে, দেশে ভোজ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন, যার প্রায় সবই আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। বিগত জুলাই মাস থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন ও অপরিশোধিত পাম তেলের বাজার মূল্যে ঊর্ধ্বমূখী প্রবণতা দেখা যায়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, রমজানকে সামনে রেখে ভোজ্যতেল যৌক্তিক মূল্যে যেন বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত হয় সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় এনে বাজারে টিসিবি’র মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে ভোজ্যতেলের সরবরাহ বৃদ্ধির বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে।
নিত্যপন্যর বাজার
গতকাল শুক্রবার নিত্যপণ্যর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি গাজর ২০ থেকে ৩০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, টমেটো ২০ থেকে ৩০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে লেবু। অপরিপক্ক লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, বাঁধাকপি ২০ থেকে ২৫ টাকা। প্রতিকেজি মিষ্টি কুমড়া ২০ থেকে ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, সজনা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, আলু ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে ছয় কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।
কাঁচা কলা প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। কাঁচা মরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। প্রতিকেজি পেঁপে ৩০ টাকা, ক্ষীরা ৪০ টাকা, শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মটরশুঁটি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি হালি লেবু ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও প্রতিকেজি শুকনা মরিচ ২০০ টাকা, রসুন ৬০ থেকে ১২০ টাকা, আদা ৬০ টাকা ও হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। প্রতিকেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, মিনিকেট ৬৫ টাকা, নাজির ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা ও পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ১০০ টাকা। খোলা ভোজ্যতেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা।
বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংস ও মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। বাজারে প্রতিকেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা।
এসব বাজারে প্রতিকেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাগুর মাছ ৬০০ টাকা, প্রতিকেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। আর প্রতি কেজি মৃগেল ১১০ থেকে ১৫০ টাকা, পাঙাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। প্রতিকেজি ইলিশ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে এক হাজার টাকা, চিংড়ি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। প্রতিকেজি বোয়াল মাছ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, ফলি মাছ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, পোয়া মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাবদা মাছ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, টেংরা মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, টাটকিনি মাছ ১০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, সিলভার কার্প ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, দেশী কৈ মাছ ৭০০ টাকা, কাঁচকি ও মলা ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, আইড় মাছ ৫০০, রিডা মাছ ২২০ টাকা এবং কোরাল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, গুড়া বাইলা ১২০ টাকা, রূপ চাঁদা প্রতিকেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে শবে বরাত শেষে বাজারে ডিম ও মুরগির দাম কিছুটা কমে এসেছে। খামারগুলোতে এখন মুরগি রাখতে চাইছে না খামারিরা। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা বাড়ায় ফার্মের মালিকরা মুরগি বাজারে ছেড়ে দিচ্ছে। এ কারণেই মুরগির দাম কমতে শুরু করেছে।
পাঁচ টাকা দাম কমে প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায় ও হাঁসের ডিম প্রতি ডজন ১৪০ টাকা। দেশী মুরগির ডিমের প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। কেজিতে ৩০ টাকা দাম কমে প্রতিকেজি সোনালি (কক) মুরগি ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। আর লেয়ার মুরগি প্রতিকেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৭১১,৭৭৯
সুস্থ
৬০২,৯০৮
মৃত্যু
১০,১৮২
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৩৬,০৬৯,৩১৩
সুস্থ
৭৭,৫৮৫,১৮৬
মৃত্যু
২,৯৩৭,২৯২
%d bloggers like this: