সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে আরও ২৪১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি দেশে করোনায় শনাক্ত নামল ছয় শতাংশের নিচে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুদকের প্রতি আহ্বান শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে হারালো আফগানিস্তান ‘স্কুল-কলেজে সংক্রমণের আশংকা নেই’ বিদেশেও দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে বিএনপি- কাদের ফিনল্যান্ড থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী যে দেশে বেকারত্বের রেকর্ড সর্বনিম্ন ফখরুলসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২১ নভেম্বর নির্দিষ্ট গোষ্ঠী আমাদের হুমকি দিয়েছিল: ডেভিড হোয়াইট তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের প্রাণ : তথ্যমন্ত্রী সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায় : মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ চাইলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ রাসেল দম্পতির বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার আশায় মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রুডো বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৪৭ লাখ ছাড়ালো অতিরিক্ত কাজে বছরে প্রায় ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়: গবেষণা জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন শাফিন আহমেদ সৌদি প্রবেশে বাংলাদেশের ১৩৭ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা দাবি প্রথমবার মহাকাশ ঘুরে এলেন চার সাধারণ নভোচারী

পদ্মা সেতু: স্বপ্ন থেকে বাস্তবে

পদ্মা সেতু: স্বপ্ন থেকে বাস্তবে

একটি সফল স্বপ্নের পিঠে নতুন স্বপ্নের নাম ছিল পদ্মা সেতু। ১৯৯৮ সালে এই স্বপ্নের কথা প্রকাশ করেছিলেন শেখ হাসিনা। তখনও তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। যমুনার ওপর নির্মিত সেতুর উদ্বোধন করেই বলেছিলেন পদ্মায়ও একটি সেতু করবেন। পদ্মা সেতুর ইতিহাসের শুরুটা এভাবে, যার শেষ রচিত হচ্ছে এখন, তাঁরই নেতৃত্বে।

এই বছরেরর ২৩শে আগস্ট পদ্মা সেতুর সড়কের ওপর শেষ স্ল্যাব বসে। রাজধানীর সাথে দক্ষিণাঞ্চলের সরাসরি সংযোগের পথ পূর্ণতা পায়। প্রমত্তা পদ্মায় সেতু তৈরির স্বপ্ন বোনা হয়েছিল যমুনা সেতু উদ্বোধনের দিন। সালটা ছিল ১৯৯৮। তখনও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা। ২০০১ সালের ৪ঠা জুলাই মাওয়া প্রান্তে ভিত্তি প্রস্থরও স্থাপন করেছিলেন।

যমুনা সেতুর দৈর্ঘ্য পাঁচ কিলোমিটারের কম। খরস্রোতা পদ্মায় প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ আদৌ সম্ভব হবে কিনা, তা নিয়ে দ্বিধা ছিল অনেকের। ২০০১-এর শেষ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে এগোয়নি। ২০০৭ সালের আগষ্টে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ১০ হাজার ১৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পের অনুমোদন দেয়। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা পুনরায় সরকার গঠন করে। ছয় মাসের মাথায় পদ্মা সেতুর নকশাঁ মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয়।

পরে সেতুতে রেলপথ যুক্ত করার পরিকল্পনা হয়। নির্মাণ ব্যয় বাড়তে থাকে। এখন খরচ ৩০ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

পদ্মা সেতুটি হওয়ার কথা ছিল বিশ্ব ব্যাংকের ঋণে। কিন্তু ২০১২ সালের জুনে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের মিথ্যা অভিযোগ এনে বিশ্বব্যাংক ঋণ দেয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে ২০১৩ সালে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এই সিদ্ধান্তের পরও অনেকের সন্দেহ কাটেনি। সরকার ২০১৪ সালের ১৭ই জুন সেতুর অবকাঠামো নির্মাণের জন্য চুক্তি করে চায়না মেজর ব্রীজ কোম্পানীর সাথে।

২০১৫ সালের ১২ই ডিসেম্বর পদ্মা সেতুর নির্মান উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৭ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর সেতুতে প্রথম স্প্যান বসে। শেষটি বসে ২০ সালের ১০ই ডিসেম্বর । তারপর ১৯ সালের ১৯শে মার্চ সড়কের প্রথম স্ল্যাব বসে। । আর গত ২৩ আগষ্ট বসেছে শেষ স্ল্যাবটি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১,৫৪২,৬৮৩
সুস্থ
১,৫০১,৫৪১
মৃত্যু
২৭,২২৫
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
২২৭,৮৬৫,৮৭৪
সুস্থ
মৃত্যু
৪,৬৮২,৯০৮
%d bloggers like this: