শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন

বন্ধ পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু

বন্ধ পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু

বিজেএমসির বন্ধ ঘোষিত জুটমিলগুলো আধুনিকায়ন করে পুণরায় চালু করার বিষয়ে ভাবছে সরকার জানালেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গাজী গোলাম দস্তগীর। দেয়া শুরু হয়েছে গোল্ডেন হ্যান্ডসেকে যাওয়া শ্রমিকদের সকল পাওনা পরিশোধের আনুষ্ঠানিকতা।

আজ (মঙ্গলবার) সকালে ডেমরা করিম জুটমিলের শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের আনুষ্ঠানিক চেক হস্তান্তরের মাধ্যমে কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় শ্রম প্রতিমন্ত্রী জানান, শ্রমিকের কষ্টের টাকা যাতে কেউ প্রভাব খাটিয়ে নিতে না পারে সে জন্য ব্যাংকের মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে।

গত ১লা জুলাই মাসে বাংলাদেশ রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকল বন্ধ ঘোষণা করে প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিককে অবসরের পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে সরকার। এর মধ্য দিয়ে মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল যুগের অবসান ঘটলো। বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু করলো সরকার।

নারায়ণগঞ্জের করিম জুট মিলসের শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের মাধ্যমে সকালে এ কার্যক্রমের সূচনা করেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী
গাজী গোলাম দস্তগীর এবং শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান। অনুষ্ঠানে ৩০ শ্রমিকের হাতে সঞ্চয়পত্র তুলে দেয়া হয়।

এ সময় তারা বলেন, পুরনো দিনের মিলগুলো কিভাবে আধুনিকায়ন করা যায়, তা ভাবছে সরকার। চাকরি থেকে অবসানকৃত শ্রমিকদের পাওনা অর্থ দ্রুত তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া যায় সেই লক্ষে কাজ করছে মন্ত্রণালয়।

মোট ২৫১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে। বন্ধ ঘোষিত ২৫টি পাটকলের প্রায় ২৫ হাজারের বেশি শ্রমিকের পাওনা প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। গোল্ডেন হ্যান্ডসেক সুবিধা পেয়ে খুশির কথা জানান করিম জুটমিলের শ্রমিকরা।

৩ অর্থ বছরে শোধ করার কথা থাকলেও প্রধানমন্ত্রী বর্তমান অর্থবছরে পুরো টাকা, যা অর্ধেক নগদে ও বাকিটা সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে শোধ করার নির্দেশ দেন। সকল শ্রমিকদের তা কত দিনে দেয়া হবে তা জানান বিজেএমসির চেয়ারম্যান।

বন্ধ ঘোষিত পাটকল আধুনিকায়ন করে আন্তর্জাতিক মানের পণ্য তৈরি করবে বিশ্বের কাছে সোনালী আশ হিসেবে আবারো পরিচিত পাক এমন দাবি সকলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৩৫৬,৭৬৭
সুস্থ
২৬৭,০২৪
মৃত্যু
৫,০৯৩
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩২,৪৭১,১৩৯
সুস্থ
২২,৩৭৪,৬০৫
মৃত্যু
৯৮৭,৭১০