শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফকির আলমগীর বেঁচে থাকবেন তার গানে : তথ্যমন্ত্রী ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর আর নেই ইমরান খানকে হাড়িভাঙা আম পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের লজ্জার হার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার অব্যাহত থাকবে : এডিবি লকডাউনের প্রথম দিনে গ্রেফতার ৪০৩, জরিমানা পৌনে ১২ লাখ বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ‘অলিম্পিক লরেল’ পেলেন ড. ইউনূস টোকিও অলিম্পিক-এর ঝলমলে উদ্বোধন ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৮৫ জন ইকুয়েডরের দু’টি কারাগারে দাঙ্গা, নিহত ২২ দেশে করোনায় মৃত্যু ১৬৬, শনাক্ত ৬৩৬৪ ঢাকায় পৌঁছাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে মানুষ তিতাস-এর গ্যাস লিকেজ থেকেই মগবাজারে বিস্ফোরণ: পুলিশ বিদায়ী তাওয়াফের মাধ্যমে শেষ হলো হজ বাগেরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইকের ছয় যাত্রী নিহত প্রথমবারেই অলিম্পিকে দিয়ার ব্যক্তিগত রেকর্ড দ.আফ্রিকায় সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩৭ জনে যেভাবে পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দিলো ফেরি (ভিডিও) নিত্যপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে সময় কমেছে ২ ঘণ্টা

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে ৮৫০০ শিশু: জাতিসংঘ

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে ৮৫০০ শিশু: জাতিসংঘ

সাড়ে আট হাজারের বেশি শিশুকে ২০২০ সালে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় চলমান যুদ্ধে সৈনিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জাতিসংঘ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছে দুই হাজার ৬৭৪ জন।

সোমবার (২১ জুন) জাতিসংঘ থেকে প্রকাশিত শিশুবিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদন নিরাপত্তা পরিষদে তুলে ধরেন মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস।

প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়, আট হাজার ৫২১ শিশুকে ২০২০ সালে শিশু সৈনিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নিহত হয়েছে দুই হাজার ৬৭৪ শিশু। এছাড়া বিভিন্ন যুদ্ধে আহত হয়েছে পাঁচ হাজার ৭৪৮ শিশু।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলা চালানোর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে শিশুদের। একই সংগে হামলার লক্ষ্যবস্তুতেও রয়েছে শিশুরা। গত বছর বসতবাড়ি, স্কুল, খেলার মাঠ ছিলো বেশিরভাগ হামলায় নিশানা।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২১টি যুদ্ধে ১৯ হাজার ৩৭৯ শিশুর অধিকার লঙ্ঘন করার ঘটনা ঘটেছে। যুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়া ছাড়াও যৌন নির্যাতন, অপহরণ ও ত্রাণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছে শিশুরা। এমন ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে সোমালিয়া, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, আফগানিস্তান, সিরিয়া ও ইয়েমেনে।

অনেক শিশু জঙ্গিদের হাত থেকে মুক্তির পর নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের হাতে ফের ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধের ফলে ত্রাণকর্মীরা পৌঁছাতে না পারায় দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। যাতে বেশি ভুক্তভোগী হয়েছে শিশুরা। অনেকে আক্রান্ত হয়েছে অপুষ্টি ও নানান রোগে।

জাতিসংঘের শিশু এবং সশস্ত্র সংঘাত বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ভার্জিনিয়া গাম্বা জানান, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্য বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শিশু অপহরণ শতকরা ৯০ ভাগ এবং ধর্ষণ এবং অন্যান্য ধরনের যৌন সন্ত্রাস ৭০ ভাগ বেড়েছে।

এদিকে সহিংসতা থেকে বাঁচতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে বহু রোহিঙ্গা। যাদের একটা বড় অংশই শিশু, এদের বয়স ১৮ বছরের নিচে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর মিয়ানমার, সোমালিয়া ও সিরিয়ায় যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়োগ করা হয়েছিলো প্রায় সাত হাজার শিশুকে।

প্রতিবেদনে একটি কালো তালিকা রাখা হয়েছে। যেখানে শিশু অধিকার ক্ষুণ্ন করছে যুদ্ধরত এমন গোষ্ঠী বা সংস্থার নাম রয়েছে।

শিশুদের দুরবস্থা তুলে ধরা এই প্রতিবেদনের কালো তালিকায় ইসরাইল এবং সৌদি আরবের নাম না রাখায় জাতিসংঘের কঠোর সমালোচনা করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

শিশু নির্যাতনের জন্য দায়ী দেশগুলোর তালিকায় ইসরাইলের নাম কোনোদিনই রাখা হয়নি। সৌদি আরবের নাম প্রথমবারের মতো এই তালিকায় স্থান পায় ২০১৯ সালে। তবে তারপরই মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশটির নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ে যায়।

কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরা মনে করেন, ইসরাইল এবং সৌদি আরব কালো তালিকায় তাদের নাম না রাখার জন্য সব সময় জাতিসংঘকে চাপ দেয়।

শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার জন্য যে কালো তালিকা করা হয়েছে, তাতে স্থান হয়েছে মাত্র দুটি রাষ্ট্রপক্ষের, এক, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং দুই, সিরিয়ার সরকারি বাহিনী। সূত্র: ডয়েচে ভেলে, রয়টার্স, গ্লোবালনিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১,১৪৬,৫৬৪
সুস্থ
৯৭৮,৬১৬
মৃত্যু
১৮,৮৫১
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৯২,৩১১,৩৭৫
সুস্থ
১২৬,৬৩৭,১৪১
মৃত্যু
৪,১৩৩,১৮২
%d bloggers like this: