শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

রাজধানীতে বেড়েছে চালের দর, ঊর্ধ্বমুখী পেঁয়াজ-আদার দাম

রাজধানীতে বেড়েছে চালের দর, ঊর্ধ্বমুখী পেঁয়াজ-আদার দাম

রাজধানীর বাজারে মানভেদে কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বেড়েছে চালের দাম। কৃষিবাজারে পাইকারিতে মিনিকেট পাওয়া যাচ্ছে মানভেদে ৫০ থেকে ৫৬ টাকা কেজি দরে। নাজিরশাইল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ভালো মানের নাজিরের দাম ৮০ টাকা পর্যন্ত। বিআর-২৮ কেজিতে দেড় থেকে দুই টাকা বেড়েছে।

বাজারে গুটি ৪০ থেকে ৪১ এবং স্বর্ণা চালের দর ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা কেজি। মোটা এ জাতের চালের সরবরাহ খুবই কম।

এদিকে, রাজধানীর পাইকারি বাজারে মাছের দর সস্তা হলেও খুচরায় দাম কিছুটা চড়া। বিক্রেতারা বলছেন, ইলিশের দাম ক্রেতার হাতের নাগালেই। বাজারে ১ থেকে ২ টাকা বেড়েছে চালের দাম।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার। ইলিশের পসরা নিয়ে হাকডাকে সরগরম। বিক্রেতারা বলছেন, ডিমওয়ালা ইলিশ সস্তায় বিক্রি হলেও ডিমছাড়া ইলিশের দাম কিছুটা বেশি। যদিও বাজারে মাছের দর নিয়ে মত পার্থক্য খোদ বিক্রেতাদের মধ্যেই। কেউ বলছেন দাম কম, কেউ বলছেন বেশি।

এ বাজারে ১ কেজি আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯শ’ থেকে ১১শ’ টাকায়। আর ৮শ’ ৯শ’ গ্রামের ইলিশের দর ৭৫০ টাকা। দাম নিয়ে বিক্রেতার মধ্যে মত পার্থক্য থাকলেও সন্তুষ্ট ক্রেতা।

অন্যান্য মাছের দামও সস্তা। এক কেজি আকারের বোয়াল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি। আর আড়াই কেজি আকারের বোয়াল মিলছে ৩০০ টাকা কেজিতে। সস্তা বড় রুই-কাতলের দরও।

তবে এসব মাছ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ দামে। রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষিবাজারে দেখা মিলল বোয়াল, রুই, কাতলের বাড়তি দর।

খুচরা এ বাজারে অনেকটা পাইকারির দরেই বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। বিক্রেতারা জানান, গেল ২ সপ্তাহের তুলনায় দাম কিছুটা বাড়তি। তবে ক্রেতা এ দামেও সন্তুষ্ট।

ঊর্ধ্বমুখী পেঁয়াজ-আদার দাম
আবারও বাড়ছে পেঁয়াজ ও আদার দাম। চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আদার দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা আর পেঁয়াজের বেড়েছে ৪ থেকে ৫ টাকা।

জলঘোলা কম হয়নি আদা নিয়ে। করোনায় চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মসলা জাতীয় এই পণ্যটির প্রতি কেজির দাম দাঁড়িয়েছিল সাড়ে ৩’শ টাকা পর্যন্ত। এরপর কমে আসে ৬০ টাকায়। তবে আবার লাগামহীভাবে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি দরে। ঊর্ধ্বমুখী দামের ব্যাখ্যা দিয়ে ব্যবসায়ীরা জানান সরবরাহ সংকটের কথা। চীনেও আদার সংকট রয়েছে তাই বর্তমানে বুকিং রেটই ১৮০ টাকা ১৯০ টাকা পড়ছে বলে জানান তারা।

এদিকে, গত বছর ভারত রপ্তানি বন্ধের পর ৩শ’ টাকায় ঠেকেছিল প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম। এরপর লকডাউনে নেমে আসে ১৮ টাকার নিচে। কিন্তু আবারও এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে কেজি ২৮ থেকে ৩০ টাকায়। তবে, আরও দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

তারা জানান, ভারতীয় পেঁয়াজের সংকটে দাম বৃদ্ধি পেতে থাকলে বার্মার পেঁয়াজ বাজারে ঢুকে যাবে।

ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, ভারতে বন্যা আর আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্যের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে খাতুনগঞ্জেও।

এ প্রসঙ্গে খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, দুই মাস ধরে আদা বেচাকেনায় তারা লাগাতার লোকসান গুনছেন। আর এখন বুকিং রেট বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন।

তবে রসুনের দাম কিছুটা কমতির দিকে। খাতুনগঞ্জে প্রতি কেজি রসুনের দাম পড়ছে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৩৫৬,৭৬৭
সুস্থ
২৬৭,০২৪
মৃত্যু
৫,০৯৩
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩২,৪৭১,১৩৯
সুস্থ
২২,৩৭৪,৬০৫
মৃত্যু
৯৮৭,৭১০