শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফকির আলমগীর বেঁচে থাকবেন তার গানে : তথ্যমন্ত্রী ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর আর নেই ইমরান খানকে হাড়িভাঙা আম পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের লজ্জার হার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার অব্যাহত থাকবে : এডিবি লকডাউনের প্রথম দিনে গ্রেফতার ৪০৩, জরিমানা পৌনে ১২ লাখ বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ‘অলিম্পিক লরেল’ পেলেন ড. ইউনূস টোকিও অলিম্পিক-এর ঝলমলে উদ্বোধন ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৮৫ জন ইকুয়েডরের দু’টি কারাগারে দাঙ্গা, নিহত ২২ দেশে করোনায় মৃত্যু ১৬৬, শনাক্ত ৬৩৬৪ ঢাকায় পৌঁছাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে মানুষ তিতাস-এর গ্যাস লিকেজ থেকেই মগবাজারে বিস্ফোরণ: পুলিশ বিদায়ী তাওয়াফের মাধ্যমে শেষ হলো হজ বাগেরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইকের ছয় যাত্রী নিহত প্রথমবারেই অলিম্পিকে দিয়ার ব্যক্তিগত রেকর্ড দ.আফ্রিকায় সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩৭ জনে যেভাবে পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দিলো ফেরি (ভিডিও) নিত্যপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে সময় কমেছে ২ ঘণ্টা

‘রাজনৈতিক আধিপত্যের কারণেই চাপের মুখে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা’

‘রাজনৈতিক আধিপত্যের কারণেই চাপের মুখে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা’

একচ্ছত্র রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের আকাঙ্খা থেকেই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই চাপ মোকাবিলা করে সৎসাহস ও নীতি-নৈতিকতা বজায় রেখেই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। পাশাপাশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর অভ্যন্তরীণ নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত ‘করোনাকালে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা এবং ‘কোভিড-১৯ বিষয়ক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০২০’ ঘোষণা অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন আলোচকরা।

মঙ্গলবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন টিআইবি’র আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট কোঅর্ডিনেটর মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ।

এসময় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গবেষক ও গণমাধ্যম বিশ্লেষক অধ্যাপক আফসান চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতিআরা নাসরিন, বৈশাখী টেলিভিশনের প্ল্যানিং কনসালট্যান্ট জুলফিকার আলি মানিক, এমআরডিআই এর অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সহায়তা ডেস্কের প্রধান বদরুদ্দোজা বাবু এবং টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক শেখ মন্জুর-ই-আলম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এমআরডিআই-এর নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান, চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের নির্বাহী পরিচালক তালাত মামুন, গাজী টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, এশিয়ান টেলিভিশনের বার্তা প্রধান মানস ঘোষ, একাত্তর টেলিভিশনের বার্তা প্রধান ও ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদ, ডিইউজে’র সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম নেটওয়ার্কের রোভিং এশিয়া এডিটর মিরাজ আহমেদ চৌধুরী, যশোরের দৈনিক গ্রামের কাগজের সম্পাদক মবিনুল ইসলাম মবিন, চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদী পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ওয়াহিদ মালেক, সিলেটের দৈনিক জালালাবাদের সম্পাদক মুকতাবিস উন নুরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকবৃন্দ।

প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় ড. অধ্যাপক আফসান চৌধুরী বলেন, “সাংবাদিকরা এখন আর নতুন কিছু করার চেষ্টা করেন না। কোভিড বিষয়ে চুরি নিয়ে সব সাংবাদিকতা হচ্ছে, কিন্তু কোনো কাঠামোগত বিশ্লেষণ খোঁজা হচ্ছে না। এসময়ে এসে নতুন পর্যায়ের সাংবাদিকতায় যেতে হবে। শুধু চুরি হওয়ার খবর নয়- কেন চুরি হচ্ছে, কিভাবে হচ্ছে সেটার কারণ খুঁজতে হবে।”

করোনা অতিমারী সাংবাদিকদের দায়িত্ব আরও চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে মন্তব্য করে ড. গীতিআরা নাসরিন বলেন, “অসুস্থতা, মৃত্যু ও অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি এসময়ে সাংবাদিকদের ওপর চাপ প্রয়োগের ঘটনাও বেড়েছে। এখন সাংবাদিক এবং পাঠক-দর্শকরা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গেছেন। দর্শক-পাঠকরা প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রশ্ন করছেন। তাই পাঠক-দর্শকরা সাংবাদিকদের ওপর ভরসা না করে কেন সামাজিক মাধ্যমে ভরসা রাখছেন তা ভাবা দরকার, সেটা নিয়ে আত্মজিজ্ঞাসা করা উচিত।”

নীতি-নৈতিকতা মেনে সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে জুলফিকার আলী মানিক বলেন, “সাংবাদিকতায় বাইরের চাপ আমাদের নতজানু করে ফেললেও নীতি-নৈতিকতা অনুসরণ করেই সাংবাদিকদের তথ্য ও সংবাদ সংগ্রহ করতে হবে। তরুণ সাংবাদিকদের দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন হতে হবে। স্বাধীনতা ও স্বেচ্ছাচারিতার পার্থক্য বুঝেই সাংবাদিকতা করতে হবে।”

মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের নির্বাহী পরিচালক তালাত মামুন বলেন, “সাংবাদিকতায় সবসময়ই চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সাংবাদিক সংগঠনগুলো সাংবাদিকের জন্য কি করছে? বিভিন্ন ব্যাপারে দোষারোপ করে সাংবাদিকতার সংকট দূর করা যাবে না। এই ব্যাপারে অ্যাকাডেমিক আলোচনা প্রয়োজন।”

এমআইডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান বলেন, “সাংবাদিকের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। যে প্রতিবেদনে কাঠামোগত দুর্বলতা আছে, সেখানেই প্রশ্ন করা হয়। তাই অনুসন্ধান যদি কাঠামোগতভাবে সঠিক হয়, তাহলে সাংবাদিক ও সম্পাদকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।”

একাত্তর টেলিভিশনের বার্তা প্রধান শাকিল আহমেদ বলেন, “মানুষের গল্প তুলে আনতে পারলে সেটাই সংবাদমাধ্যমকে এগিয়ে নিতে পারে। তবে সাংবাদিকের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। সাংবাদিকের সুরক্ষা এবং সম্পাদকের এখতিয়ার আইন ও বিধি দ্বারা নিশ্চিত করতে হবে।”

এশিয়ান টেলিভিশনের বার্তা প্রধান মানস ঘোষ সাংবাদিকের সুরক্ষায় আইনি বিধানের গুরুত্বারোপ করে বলেন, “গণমাধ্যম কর্মী আইন মন্দের ভালো। তারপরও আরো অনেক কিছু দরকার আছে।”

গ্রামের কাগজের সম্পাদক মবিনুল ইসলাম মবিন বলেন, “আমরা যতই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা কিংবা ঐক্যের কথা বলি নানা প্রতিবন্ধকতা আমাদের আষ্টেপৃষ্টে আটকে রেখেছে। বিশেষ করে ঢাকার বাইরে যারা কাজ করি তাদের সমস্যা আরও প্রকট।”

সাংবাদিকতায় প্রশাসনের মধ্যম বা উচ্চ স্তরের কর্মকর্তাসহ নানা জায়গা থেকে বিভিন্ন ধরণের চাপ তৈরি হচ্ছে মন্তব্য করে ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু বলেন, “ক্লাব বা ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে আমাদের যেমন রাজপথে থাকা দরকার, তেমনি বুদ্ধিবৃত্তিক স্তরেও থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বিভিন্ন চাপ মাথায় নিয়ে পাঠক-দর্শকের প্রত্যাশা পূরণে যা করা দরকার তার সবটা আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি।”

জিআইজিএন এর বাংলা বিভাগের সম্পাদক মিরাজ আহমেদ চৌধুরী বলেন, “দুর্নীতির পরিধি যেমন বৈশ্বিক হয়েছে, সাংবাদিকতার পরিসরও তেমন বৃদ্ধি পাওয়া দরকার।”

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে ফল ঘোষণা ও সমাপনী বক্তব্যে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত উভয় ধরণের চ্যালেঞ্জই বিদ্যমান। সাংবাদিকতা বা গণমাধ্যমের অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা সাংবাদিকতাকে আয়নার সামনে দাঁড় করানোর সুযোগ তৈরি করে দেয়।

তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলে গণমাধ্যম কীভাবে শুদ্ধাচার বজায় রেখে কাজ করবে তার কিছু দিক নির্দেশনা আছে। যদিও সেটি পর্যাপ্ত নয়, তবুও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান একক ও সামষ্টিকভাবে নৈতিকতার চর্চা করলে অভ্যন্তরীন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। বহিরাগত চাপের ক্ষেত্রে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পরিবেশ নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষিতের ওপর। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো আমাদের দেশের ক্ষেত্রেও এটি সমানভাবে প্রযোজ্য।

কোনো প্রকার সমালোচনা সইবার সৎসাহস বা দৃঢ়তার ঘাটতি থেকে এই অবস্থার সৃষ্টি হয় মন্তব্য করে ড. জামান আরো বলেন, “বাংলাদেশে ক্রমাগতভাবে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সাংবিধানিক অধিকার ও দায়িত্ব পালন করার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। একদিক থেকে এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি হয় যেখানে অনেক সাংবাদিক বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় যাওয়ার চিন্তা করেন বা চলে যান। দ্বিতীয়ত, এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি হয় যাতে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিবর্গ সরকারের দোসর হয়ে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেটির প্রভাব হয় নেতিবাচক। তৃতীয়ত, এই প্রতিকূলতার মধ্যেও এক শ্রেণীর সাংবাদিক থাকেন যারা সততার সঙ্গে, দৃঢ়তার সঙ্গে টিকে থাকতে চেষ্টা করেন। আর সে কারণেই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এখনও টিকে আছে। কিন্তু তাদেরকেও এক ধরনের সেলফ সেন্সরশিপের মধ্য দিয়েই টিকে থাকতে হয়। আমি মনে করি, সাংবাদিকতার আজকের পথচলার এটাই সার্বিক চিত্র; কোভিড প্রেক্ষাপটে যা আরও বেশি প্রকটতর হয়েছে।”

টিআইবির কোভিড-১৯ বিষয়ক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০২০ ঘোষণা করা হয়। প্রিন্ট মিডিয়া আঞ্চলিক ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার বিজয়ী হয়েছেন চট্টগ্রামের দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার আবু রায়হান তানিন। ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিন পত্রিকায় চট্টগ্রামে ‘করোনা রোগী আইসিইউ পায় না, ১২ হাসপাতালের গল্প পুরোটাই ফাঁকি!’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য তিনি এই পুরস্কার অর্জন করেন।

প্রিন্ট/অনলাইন মিডিয়া (জাতীয়) বিভাগে বিজয়ী হয়েছেন সাংবাদিক সৈকত ভৌমিক। তিনি বর্তমানে অনলাইন পত্রিকা সারাবাংলা ডট নেট এর সিনিয়র করেসপন্ডেট হিসেবে কর্মরত আছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজস ও সহযোগিতায় জেকেজি হেলথকেয়ারের করোনার ভুয়া পরীক্ষা ও রিপোর্টের মাধ্যমে প্রতারণা ও অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য সংক্রান্ত ধারাবাহিক প্রতিবেদনের জন্য তিনি প্রিন্ট মিডিয়া (জাতীয়) বিভাগে এই পুরস্কারটি অর্জন করেন।

ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া বিভাগে বিজয়ী হয়েছেন সাংবাদিক মুফতী পারভেজ নাদির রেজা। তিনি বর্তমানে একাত্তর টেলিভিশনে বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০২০ সালের ০৪ অক্টোবর ‘হ্যান্ড স্যানিটাইজারে বিষাক্ত মিথানল’ শিরোনামে একাত্তর টেলিভিশনে প্রচারিত প্রতিবেদনের জন্য তিনি ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিভাগে এই পুরস্কার অর্জন করেছেন।

উল্লেখ্য, পারভেজ নাদির রেজা ২০১৭ সালে ‘অস্ত্রের হোম ডেলিভারি’ শিরোনামে প্রচারিত তার একটি প্রতিবেদনের জন্য টিআইবি’র নিয়মিত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার অর্জন করেছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১,১৪৬,৫৬৪
সুস্থ
৯৭৮,৬১৬
মৃত্যু
১৮,৮৫১
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৯২,৩১১,৩৭৫
সুস্থ
১২৬,৬৩৭,১৪১
মৃত্যু
৪,১৩৩,১৮২
%d bloggers like this: