সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন

সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল সিপিডি

সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল সিপিডি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ থেকে সরে আসার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ সিপিডি। সংস্থাটি বলছে, এলএনজি ভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরির চেয়ে নবায়ণযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনই পরিবেশবান্ধব হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ‘বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লা বর্জন: সরকারি উদ্যোগ ও সুপারিশ’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এসব কথা বলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ সিপিডি’র গবেষণা পরিচালক খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

তিনি বলেন, কয়লার বিকল্প এলএনজি হতে পারে না। এটা হলে আবারও জীবাশ্ন জ্বালানির ওপরই নির্ভরশীল হতে হবে, যা পরিবেশের জন্য হুমকি। সব ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকার পরও নবায়ণযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরিতে আগ্রহ কম নীতিনির্ধারকদের। মন্ত্রণালয়কে এ সম্পর্কে সঠিক বিচার বিশ্লেষণ করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা উচিত, যেন সঠিক সিদ্ধান্ত আসে।

তিনি আরও বলেন, নবায়ণযোগ্য জ্বালানি পরিবেশবান্ধব জ্বালানি। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলে তা জনগণকে স্বস্তি দেবে এবং পাওয়ার প্ল্যান্টে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।

সভায় গবেষণা সংস্থাটির ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকন্দ্রেগুলোতে অনেক বিনিয়োগ হয়ে গেছে। অনেক প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে। আগামীর প্রকল্প নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে এখন থেকেই। বঙ্গোপসাগরে এরই মধ্যে মিয়ানমার বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ করতে পারেনি। এলএনজি আমদানি নির্ভর না হয়ে নিজ দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনের পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, অর্থনীতির পাশাপাশি পরিবেশের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা সঠিকভাবে করলে নবায়ণযোগ্য জ্বালানির ওপর নির্ভর করে ২০৪০ এবং ২০৫০ সালের দিকে দেশ এগিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভার্চুয়াল বৈঠকে এ সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সভায় আরও বক্তব্য দেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৩৫৯,১৪৮
সুস্থ
২৭০,৪৯১
মৃত্যু
৫,১৬১
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩২,৮৩৪,৩৯১
সুস্থ
২২,৭১১,২১৩
মৃত্যু
৯৯৪,০৭৮