সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

৪০০ বছর পর একসাথে শনি-বৃহস্পতি

৪০০ বছর পর একসাথে শনি-বৃহস্পতি

মহাকাশে ঘটনাবহুল ডিসেম্বর। এ মাসেই দেখা গিয়েছে উল্কাপাত। তার পর সূর্যগ্রহণ। আর রাত পোহালেই আরও এক মহাজাগতিক অতিবিরল দৃশ্যের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব। বৃহস্পতি আর শনির যুগলবন্দি। সোমবার দুই গ্রহ এতই কাছে চলে আসবে যে, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে খালি চোখেও তা বোঝা যাবে। প্রায় ৪০০ বছর পর এমন ঘটনা ঘটছে, যা একজন মানুষ জীবদ্দশায় এক বারই দেখতে পারেন। বিজ্ঞানীরা একে বলছেন ‘গ্রেট কনজাংশন’ বা ‘বিরাট যুগলবন্দি’। বলছেন তাই সোমসন্ধ্যায় চোখ থাকুক মহাকাশে।

শেষ বার হয়েছিল ১৬২৩ সালে। তখনও গ্যালিলিও জীবিত। টেলিস্কোপ আবিষ্কারের ১৩ বছর পরেই সেই ঘটনা ঘটেছিল। তবে সেটা ছিল জুলাই মাস, অর্থাৎ বর্ষাকাল। তার উপর তখন সূর্যও এই দুই গ্রহের খুব কাছে ছিল। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মেঘলা আকাশ থাকায় ততটা স্পষ্ট হয়নি। সূর্য এত কাছে থাকায় খালি চোখে দেখা যায়নি। টেলিস্কোপের বয়স তখন মাত্র ১৩ বছর। হয়ত সেসময় হতাশ হতে হয়েছিল মহাকাশ বিজ্ঞানীদের।

সেই সব কারণে ৩৯৭ বছর পরের এই দুই গ্রহের যুগলবন্দি সব দিক থেকেই বিরল এবং এক অর্থে নজিরবিহীনও। এই প্রথম শীতকালে এত কাছে আসছে দুই গ্রহ। সোমবার আবার বছরের সবচেয়ে বড় দিন। তার উপর সৌরমণ্ডলের বৃহত্তম ও দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহের এমন বিরল মেলবন্ধন। ফলে মহাকাশপ্রেমী থেকে আমজনতা, সবার মধ্যেই কৌতূহল তুঙ্গে।

এই মহাজাগতিক ঘটনাকে ‘ক্রিসমাস স্টার ২০২০’ নাম দিয়েছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সংস্থার বিজ্ঞানীদের মতে ‘‘দু’টি গ্রহ একে অন্যের থেকে এক ডিগ্রির ১০ ভাগের এক ভাগ কাছাকাছি থাকবে। তবে ৬০ বছর পর অর্থাৎ ২০৮০ সালে আবার এত কাছে আসবে দুই গ্রহ।’’ তাঁরা জানিয়েছেন, ৮০০ বছর আগে এই দুই গ্রহ এক সরলরেখায় এলেও শেষ বার এত কাছে এসেছিল ১৬২৩ সালে।’’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

করোনার সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৫২৭,৬৩২
সুস্থ
৪৭২,৪৩৭
মৃত্যু
৭,৯০৬
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৯৩,৯০২,৬০৫
সুস্থ
৫১,৫২১,১১০
মৃত্যু
২,০০৬,৫৫৬
%d bloggers like this: